জঙ্গলমহলে ১২০০ কোটির জোয়ার! আদিবাসী পড়ুয়াদের মুখে ফুটল চওড়া হাসি
বাঁকুড়ায় আয়োজিত হুল দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে জঙ্গলমহলের উন্নয়নে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আদিবাসী পড়ুয়াদের থাকা-খাওয়ার ভাতা এবং বৃদ্ধাদের ‘জয় জোহার’ প্রকল্পের ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জঙ্গলমহলের ৭৫টি ব্লকের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পানীয় জল ও কমিউনিটি হল নির্মাণের পাশাপাশি বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াকে শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুকুটমণিপুরকে আদর্শ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং ১ জুলাই থেকে রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ৩,০০০ টাকা করে পৌঁছে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে হস্টেলে থাকা আদিবাসী পড়ুয়াদের মাসিক থাকা-খাওয়ার ভাতা ১৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৩০০ টাকা করা হয়েছে এবং আদিবাসী বয়স্ক মহিলাদের ‘জয় জোহার’ প্রকল্পের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন সরকারের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, বিগত সময়ে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদকে নামমাত্র অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। এছাড়া রাজ্যে ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র প্রদানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এই ধরনের শংসাপত্র প্রদানকারী ও গ্রহীতা উভয়কেই শাস্তিস্বরূপ জেলে পাঠানো হবে। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে তফসিলি জাতি ও জনজাতিদের সংরক্ষণের নীতি যথাযথভাবে পালিত না হওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।