লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ৬০ হাজার কোটির আসল রহস্য ফাঁস!
বিধানসভার বাজেট জবাবি ভাষণে রাজ্যের ৮ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা ও পূর্বতন সরকারের আর্থিক দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে সরব হলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি জানান, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের প্রতিটি দপ্তরের আর্থিক লেনদেন ক্যাগের (CAG) মাধ্যমে অডিট করে দ্রুত ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে, কেন্দ্র থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা রাজ্যের তহবিলে নিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে তিনি শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষকে একজোট হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাজেট বক্তৃতায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও প্রশাসনিক সংস্কারের দিশা দেখিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ প্রসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আগামী মার্চ মাসে পূর্ণাঙ্গ বাজেটে বেতন কাঠামোর বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এছাড়াও নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্দেশখালিতে বিশেষ মহিলা থানা এবং নতুন কলেজ নির্মাণের ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলায় একটি অত্যাধুনিক বাহিনী গঠন, আরজি করের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ এবং পুজোর আগে এআই (AI) মিশনসহ বিভিন্ন নতুন পলিসি চালুর কথা জানিয়েছেন তিনি। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও বর্তমান সরকারের ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-র দার্শনিক পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি সুবিধা যেন প্রকৃত অভাবীদের কাছেই পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার।