লোহাগড় দুর্গ কি সত্যিই অভিশপ্ত!
পুনের কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের লোনাভালার কাছে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘লোহাগড় ফোর্ট’ ফের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। সাতবাহন রাজাদের আমলে নির্মিত এই দুর্গটি নিজামশাহী, মুঘল ও ছত্রপতি শিবাজির শাসনামলের নানা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। তবে গৌরবময় ইতিহাসের চেয়েও বর্তমানে দুর্গটি এর গা ছমছমে রহস্য এবং অদ্ভুত অলৌকিক কিংবদন্তির জন্য পর্যটকদের কাছে বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে।
দুর্গটির ‘গণেশ দরওয়াজা’কে ঘিরে প্রচলিত রয়েছে সবচেয়ে ভীতিকর লোককথা, যেখানে দুর্গ নির্মাণের সময় নরবলি এবং নারী-পুরুষকে জীবন্ত কবর দেওয়ার দাবি করা হয়। পর্যটকদের অনেকেরই দাবি, সূর্যাস্তের পর সেখানে অশরীরী ছায়া, পায়ের আওয়াজ বা শিসের মতো শব্দ শোনা যায় এবং ভোরের আলোয় রহস্যময় পাহারাদারের অবয়ব দেখা যায়। যদিও বিশেষজ্ঞরা দুর্গের পাথুরে গঠন ও বাতাসের ঝাপটার কারণেই এমন শব্দের সৃষ্টি হয় বলে মনে করেন। এছাড়া, দুর্গের অভ্যন্তরে গোপন সুড়ঙ্গ ও গুপ্তধন থাকার জনশ্রুতিও প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটককে এই রহস্যময় স্থানের দিকে আকৃষ্ট করে।