ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা বাছলেন কেন! হাইকোর্টের প্রশ্নে অস্বস্তিতে স্পিকার

রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন ঘিরে চলমান আইনি লড়াইয়ে স্পিকারের ভূমিকা ও তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিধানসভার অধিবেশন শুরুর ঠিক আগের দিন এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবিকে উপেক্ষা করে এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি লঙ্ঘন করে কীভাবে একতরফাভাবে একজন বহিষ্কৃত বিধায়ককে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মান্যতা দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

এদিন শুনানিতে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ৯ মে প্রথম আবেদন পাওয়ার পর স্পিকার কেন কোনো বৈঠক বা শুনানির আয়োজন না করে তা ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। উল্টোদিকে, নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে কেন এত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো এবং দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার বিষয়টি জানার পরেও কেন সেই বিধায়ককে স্বীকৃতি দেওয়া হলো, তা নিয়েও আদালত জবাব চেয়েছে। এর উত্তরে স্পিকারের আইনজীবী স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ এবং ৫৮ জন বিধায়কের সশরীরে উপস্থিতিকে প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। তবে বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো পক্ষকেই শুনানির সুযোগ না দেওয়া আইনি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। আপাতত এই মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে আদালত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *