ক্যামাক স্ট্রিট অতীত, মদন-মহুয়াদের বেছে নিয়ে বড় বার্তা দিলেন মমতা!
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় ধরনের রদবদল ঘটানো হয়েছে, যার মাধ্যমে ক্ষমতার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু আবারও কালীঘাটে অর্থাৎ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে উঠে এল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে বহাল থাকলেও, দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর এবং নির্দিষ্ট অফিসের (ক্যামাক স্ট্রিট) প্রভাব অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে কর্পোরেট ধাঁচের কর্মপদ্ধতি ও ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো, নতুন বিন্যাসে তা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে সংগঠনের রাশ সম্পূর্ণভাবে প্রবীণ ও মমতা-পন্থী নেতাদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।
নতুন এই সাংগঠনিক পরিবর্তনের অংশ হিসেবে জেলা ও ব্লক স্তরের দায়িত্বে বড় রদবদল আনা হয়েছে। ব্লক স্তরের দায়িত্ব নির্ধারণের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা সভাপতিদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পেয়েছেন মদন মিত্র (দমদম), মহুয়া মৈত্র (নদীয়া উত্তর), কুণাল ঘোষ (উত্তর কলকাতা), বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় (দক্ষিণ কলকাতা), শুভাশিস চক্রবর্তী (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (হাওড়া সদর), অসিত মজুমদার (চুঁচুড়া), অমিত গুপ্তা (ব্যারাকপুর) এবং কুন্তল রায় (দার্জিলিং সমতল)। এদিকে, তৃণমূলের এই অভ্যন্তরীণ রদবদলকে ‘লোকদেখানো’ ও ‘ঠেকায় পড়া’ পদক্ষেপ বলে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দল বিজেপি।