৮০ ডলারের নিচে নামল ক্রুড অয়েল, সাধারণ মানুষ কি তবে সস্তায় পাবেন পেট্রোল ও ডিজেল?

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। গত ১৬ জুন বিশ্ববাজারে ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭৮.৬৬ ডলারে নেমে এসেছে, যা যুদ্ধের চরম মুহূর্তের তুলনায় অনেকটাই কম। গত ১৭ মার্চ এ দাম সর্বোচ্চ ১৪৬ ডলারে পৌঁছেছিল এবং এপ্রিল ও মে মাসেও তা শত ডলারের উপরে ছিল। তবে বর্তমান দর যুদ্ধ শুরুর আগের ফেব্রুয়ারি মাসের ৭০.৭০ ডলারের তুলনায় এখনও কিছুটা বেশি। ভারত তার জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করায় এই দামের ওঠানামা সরাসরি জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও দেশের বাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো দাম এখনই কমার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যুদ্ধের সময় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো যে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, বর্তমানের এই নিম্নমুখী দাম সেই ঘাটতি পূরণে কাজে লাগানো হচ্ছে। পাশাপাশি, গত মার্চে সরকারের শুল্ক হ্রাসের ফলে যে রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধার করাও কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য। তবে জ্বালানির দাম কমলে পরিবহন খরচ হ্রাসের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যের দাম কমে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *