নির্বাচনে নিরাপত্তার নতুন রেকর্ড! দ্বিতীয় দফায় কিউআরটি আর গুগলে কড়া পাহারায় কমিশন
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এবার মোতায়েন করা হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ‘স্পর্শকাতর’ বুথের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেখানে বাড়তি নজরদারি চালানো হবে। কমিশনের এই কড়া অবস্থান আদতে ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোর একটি আগাম কৌশল।
প্রযুক্তির ব্যবহার ও দ্রুত ব্যবস্থা
নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে এবার গুগল ম্যাপের সহায়তা নিচ্ছে প্রশাসন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রতি ১০টি বুথের জন্য একটি করে কুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি (QRT) মোতায়েন থাকবে। কোনো বুথ থেকে অশান্তির খবর পাওয়ামাত্রই প্রযুক্তির সাহায্যে দ্রুততম সময়ে সেখানে পৌঁছে যাবে বাহিনী। মূলত দুর্গম বা অপরিচিত এলাকায় যাতায়াতের সময় বাঁচাতে এই ম্যাপের ব্যবহার এক কার্যকরী ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অলিগলিতে এরিয়া ডোমিনেশন
সাধারণত সংকীর্ণ রাস্তা বা গলির মধ্যে বড় গাড়ি প্রবেশে সমস্যা হয়, যার সুবিধা নিয়ে অনেক সময় দুষ্কৃতীরা গা ঢাকা দেয়। এই সমস্যা মেটাতে এবার মোটরসাইকেল ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরিয়া ডোমিনেশন বা এলাকা দখলের কাজে বাহিনীকে ছোট গলিতে বাইক নিয়ে টহল দিতে দেখা যাবে। এর ফলে ভোটদাতারা যেমন নিরাপত্তা অনুভব করবেন, তেমনই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের ওপর সার্বক্ষণিক চাপ বজায় রাখা সম্ভব হবে। কমিশনের এই বহুমুখী পরিকল্পনা মূলত বুথ দখল বা ভোটারদের বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা সম্পূর্ণ বন্ধ করার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছে।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রায় ২৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নামছে।
- দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে গুগল ম্যাপ ও কিউআরটি টিমের সমন্বয়।
- সংকীর্ণ অলিগলিতে টহল দিতে ব্যবহার করা হবে মোটরসাইকেল।
- দক্ষিণবঙ্গের স্পর্শকাতর বুথগুলিতে থাকছে কমিশনের বিশেষ নজরদারি।