নাগরিকত্বের প্রমাণ কি তবে বিজেপির সদস্যপদ! কেন্দ্রকে তোপ ওয়েইসির
পাসপোর্ট কেবল বিদেশ ভ্রমণের বৈধ নথি, এটি নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়—ভারতের বিদেশমন্ত্রকের এমন ঘোষণার পর দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের নাগরিকত্ব প্রমাণের নথিপত্র নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি ও মহুয়া মৈত্রের মতো বিরোধী দলীয় সাংসদরা। ওয়েইসি ব্যঙ্গের সুরে মন্তব্য করেছেন, অদূর ভবিষ্যতে হয়তো কেবল বিজেপির সদস্যপদই ভারতের নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
বিদেশমন্ত্রকের দাবি, পাসপোর্ট জারি করা হয় ‘পাসপোর্ট আইন’-এর অধীনে, যেখানে বিশেষ পরিস্থিতিতে বিদেশি নাগরিককেও তা দেওয়া সম্ভব। অন্যদিকে, নাগরিকত্ব নির্ধারিত হয় ‘সিটিজেনশিপ আইন’-এর মাধ্যমে। ওয়েইসির মতে, কঠোর পুলিশি যাচাইয়ের পর পাসপোর্ট দেওয়া হয় বলে একে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে অস্বীকার করা অযৌক্তিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, সরকারের এই অবস্থান একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের মধ্যে নথি সংক্রান্ত ভীতি ও আস্থার সংকট তৈরি করেছে, তেমনি নাগরিকত্ব ইস্যুকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে মেরুকরণের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে তুলেছে।