কাউন্সিলরের অফিসে পিল ও কন্ডোম! অনন্যার উত্থানের নেপথ্যে কী?
কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুকুন্দপুরের ওয়ার্ড অফিস থেকে গর্ভনিরোধক সামগ্রী, ম্যাসাজ করার যন্ত্র এবং প্রমোটারদের নাম সংবলিত টাকার রেট চার্ট উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। স্থানীয়দের একাংশ অফিসের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে এই আপত্তিকর সামগ্রীগুলো সামনে আসে। সরকারি দপ্তরে এই ধরনের সামগ্রী পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলরের রাজনৈতিক ভূমিকা এবং তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত ঘর বা মেকআপ রুম নয়, বরং কলকাতা পুরসভার একটি সরকারি কার্যালয়। তাঁর দাবি, গত ৮ জুন পুরসভার বোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর থেকে অফিসটি সরকারি আমলারাও ব্যবহার করছেন। তিনি আরও জানান, প্রতিটি অফিসের অ্যান্টি-চেম্বারে ব্যক্তিগত প্রয়োজন, খাওয়া-দাওয়া ও আলোচনার ব্যবস্থা থাকে, যাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নোংরা তকমা দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, প্রাক্তন এয়ার হোস্টেস ও ‘মিস ক্যালকাটা’ জয়ী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১০ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর ২০২১ সালের নির্বাচনে কাউন্সিলর হন। টলিউডের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে থাকা এই কাউন্সিলর অতীতেও বিতর্কে জড়িয়েছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালে কলকাতা পুরসভার বাজেট অধিবেশনে খ্রিষ্টান ধর্মের ‘ফাদার’ ও ‘নান’-এর সম্পর্ক নিয়ে তাঁর বিতর্কিত ও কুরুচিকর মন্তব্য সে সময় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।