তারাতলা বিপর্যয়ে কি চাপা পড়ল গাফিলতি? ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি তুঙ্গে!
তারাতলায় গুদাম ধসের ঘটনায় ৫ সদস্যের সিট গঠন, গ্রেফতার ৫
কলকাতা: তারাতলার বেআইনি গুদাম ভেঙে পড়ার ঘটনায় তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল বা ‘সিট’ (SIT) গঠন করল লালবাজার। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ডিসি-র নেতৃত্বে এই দলটি কাজ করবে। নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা, জমির মালিক এবং মূল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) আওতায় অনিচ্ছাকৃত খুন, খুনের চেষ্টা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত গুদামের মালিক শম্ভুনাথ বেহরাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার হওয়া বিল্ডিং সুপারভাইজার সৈয়দ মহম্মদ গুলজারের বিরুদ্ধে দাঙ্গা ও তোলাবাজিসহ একাধিক পুরনো ফৌজদারি রেকর্ড রয়েছে। এছাড়া দুর্ঘটনায় মৃত লেবার সাপ্লায়ার আসগার হোসেনের বিরুদ্ধেও অতীতে গুরুতর ফৌজদারি মামলা ছিল বলে জানা গেছে।
তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, গত তিন মাস ধরে এই নির্মাণকাজ চললেও শ্রমিকদের নাম নথিভুক্ত করার কোনো হাজিরা খাতা বা মাস্টার রোল ছিল না। মৌখিক চুক্তিতে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে শ্রমিকদের কাজে লাগানো হয়েছিল। হাজিরা খাতা না থাকায় ঠিক কতজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। এই বেআইনি নির্মাণের নকশা এবং ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার জন্য লালবাজারের গঠিত সিট কলকাতা পুরসভার কাছে সমস্ত জরুরি নথিপত্র তলব করেছে।