পাসপোর্ট বা আধার নয়! নাগরিকত্বের আসল প্রমাণ কোনটি?
পাসপোর্ট বা আধার কার্ড ভারতের নাগরিকত্বের অকাট্য বা চূড়ান্ত প্রমাণ নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক ও সুপ্রিম কোর্ট। বিদেশমন্ত্রকের মতে, পাসপোর্ট কেবলমাত্র বিদেশ ভ্রমণের একটি বৈধ নথি এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে এমনকি কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে অ-নাগরিকদেরও এটি প্রদান করা হতে পারে। অন্যদিকে, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বা রেশন কার্ড মূলত ঠিকানা ও পরিচিতির প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী এই নথিগুলো নাগরিকত্বের আইনি গ্যারান্টি দেয় না, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।
দেশের আইন অনুযায়ী, ভারত সরকারের দেওয়া ‘নাগরিকত্বের শংসাপত্র’ বা সিটিজেনশিপ সার্টিফিকেটই নাগরিকত্বের একমাত্র চূড়ান্ত ও বৈধ প্রমাণ। তবে জন্মসূত্রে বা পিতামাতার সূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া বেশিরভাগ ভারতীয়র কাছেই এমন কোনো একক নির্দিষ্ট নথি নেই। নিয়ম অনুযায়ী, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা জন্মসূত্রে ভারতীয় হিসেবে গণ্য হন। পরবর্তী সময়ের নাগরিকদের ক্ষেত্রে পিতামাতার নাগরিকত্বের নথি বা বার্থ সার্টিফিকেট পেশ করার নিয়ম থাকলেও, নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য কোনো নির্দিষ্ট একক নথির অভাব আগামী দিনে দাপ্তরিক ও আইনি জটিলতা বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।