কালীর সই না থাকলে কি বন্ধ ছিল পুরসভার সব ফাইল?
কলকাতা: তারাতলা বিপর্যয়ে মৃতদের পরিবারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এই দুর্ঘটনার দায় পূর্বতন তৃণমূল সরকারের ওপর চাপিয়ে তিনি সরাসরি কলকাতা পুরসভার ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, পুরসভার প্ল্যান পাস থেকে শুরু করে বাইপাসের ধারে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হওয়া তৃণমূলের পার্টি অফিসের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ‘কালী’ নামে পরিচিত এই কর্মকর্তার। তাঁর অভিযোগ, কালীর সই ছাড়া পুরসভায় কোনও পরিকল্পনার অনুমোদন পাওয়া অসম্ভব।
পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, এই প্রভাবশালী ব্যক্তি হলেন প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৩ সালে ডাব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় দ্বিতীয় হওয়া কালীচরণ ২০০৯ সালে কলকাতা পুরসভায় ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেওয়ার পর তৎকালীন বরো চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। ২০১৮ সালে ফিরহাদ হাকিম মেয়র হওয়ার পর কালীচরণকে ওএসডি পদে নিযুক্ত করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে বদলি, অবৈধ পোস্টিং ও বিল্ডিং বিভাগের নানা কাজে বেআইনি ছাড়পত্র দেওয়ার মতো গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।