দশক জুড়ে ষষ্ঠ বদল, সোমবারই কি ইস্তফা দিচ্ছেন স্টারমার?
রাজনৈতিক সংকটের কারণে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার মেয়াদ শেষের আগেই পদত্যাগ করতে পারেন বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অবজারভার’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। নিজের দলের শতাধিক সাংসদ তাঁর কাজে অসন্তুষ্ট হওয়ায় সোমবার তিনি ইস্তফাপত্র জমা দিতে পারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে লেবার পার্টিকে বিশাল জয় এনে দিলেও, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে স্টারমারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ হ্রাস পাওয়ায় দলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ সাংসদ প্রকাশ্যে তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। তবে রয়টর্সের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি সূত্রগুলো এই খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নীতিবদল এবং প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার কারণে স্টারমারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের জয় এবং প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোর ঘটনায় তাঁর ওপর চাপ আরও বেড়েছে। ব্রিটেনের সংসদীয় ব্যবস্থায় দলের সাংসদদের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং দলের ২০ শতাংশ সাংসদ বিরোধী অবস্থান নিলে নেতা অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। বর্তমানে স্টারমারের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ সাংসদের সংখ্যা সেই সীমার বেশি হওয়ায় তাঁর নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, পদত্যাগ করলে গত ১০ বছরের মধ্যে ষষ্ঠ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি মেয়াদ পূর্ণ করার আগেই দায়িত্ব ছাড়বেন।