সাঁওতালডিহি ও বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে এবার বিশাল বেসরকারি বিনিয়োগ!

রাজ্যের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সাঁওতালডিহি ও বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই দুটি কেন্দ্রের পরিকাঠামো বৃদ্ধির জন্য ইতিমধ্যে ট্যারিফ ভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। পিপিপি মডেলে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে বিনিয়োগকারী হিসেবে আদানি এবং টরেন্ট পাওয়ার গোষ্ঠীর নাম উঠে আসছে। সাঁওতালডিহিতে ৮০০ মেগাওয়াটের দুটি এবং বক্রেশ্বরে ৬৬০ মেগাওয়াটের একটি নতুন ইউনিট স্থাপনে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে, যার জন্য প্রয়োজনীয় জমির ব্যবস্থাও রাজ্য সরকার নিশ্চিত করেছে।

রাজ্যে প্রতি বছর ৭–৮ শতাংশ হারে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে এবং গ্রীষ্মকালে এই চাহিদা ১০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাওয়ায় খোলাবাজার থেকে চড়া দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। এই ব্যয়ভার ও আর্থিক সংকট মোকাবিলায় পিপিপি মডেলকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর আগে শালবনিতে ১৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে জিন্দাল গোষ্ঠীর মাধ্যমে দুটি ৮০০ মেগাওয়াটের তাপবিদ্যুৎ ইউনিট গড়ার কাজ শুরু হয়েছে, যা ২০৩০ সাল নাগাদ চালু হতে পারে। সাঁওতালডিহি ও বক্রেশ্বরের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চড়া দামে বিদ্যুৎ কেনার ওপর নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদী বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *