ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কড়াকড়ি, নেপাল হয়ে বাংলায় অনুপ্রবেশের নয়া ছক!
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কড়াকড়ি ও নিশ্ছিদ্র নজরদারির কারণে অনুপ্রবেশের পথ হিসেবে এখন নেপাল সীমান্তকে বেছে নিচ্ছে জঙ্গিরা ও দুষ্কৃতীরা। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, আইএসআই এবং হিজবুল মুজাহিদিনের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলো ভারতের ‘চিকেনস নেক’ ও সংলগ্ন এলাকার জনবিন্যাস পরিবর্তনের কৌশল হিসেবে নেপালের ১,৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ উন্মুক্ত সীমান্তকে ‘সেফ প্যাসেজ’ হিসেবে ব্যবহার করছে।
জলট্যাঙ্কি, খড়িবাড়ি এবং বিহারের রাক্সাউলসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি এসব এলাকা থেকে এসএসবি এবং পুলিশের হাতে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিক, চিনা নাগরিক ও পাচারকারী গ্রেপ্তার হয়েছে। এমনকি ৮ জুন শিলিগুড়ির সীমান্ত থেকে বেঙ্গল এসটিএফ ‘পুষ্পা’ ওরফে জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া বাহরাইচ, গোন্ডা ও বলরামপুর সীমান্ত দিয়েও ভারতে প্রবেশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এই অনুপ্রবেশের ফলে উত্তর বিহারের কিষাণগঞ্জ, আরারিয়া, পূর্ণিয়া ও কাটিহার অঞ্চলের জনবিন্যাস পরিবর্তনের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নজরে আসতেই প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি করার পাশাপাশি এসএসবি এবং বিএসএফকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভারত-নেপাল সীমান্তে ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।