প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক চিলতে আলাপ, সাধারণ বিক্রম এখন ঝাড়গ্রামের ‘হঠাৎ হিরো’
বাংলার নির্বাচনী প্রচারের ব্যস্ততার মাঝে ঝাড়গ্রামের এক সাধারণ ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমের জীবনে নেমে এল অভাবনীয় পরিবর্তন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কয়েক মিনিটের আলাপচারিতা ও তাঁর হাতে তৈরি ঝালমুড়ি খাওয়ার ঘটনাটি বিক্রমকে রাতারাতি সামাজিক মাধ্যম ও স্থানীয় এলাকায় প্রচারের আলোয় নিয়ে এসেছে। পেশাগত জীবনে সাধারণ এক হকার হয়েও প্রধানমন্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য পাওয়া তাঁর কাছে এখন স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে।
জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিক্রমের দোকান
এই ঘটনার পর থেকেই বিক্রমের ঝালমুড়ির দোকানে উপচে পড়ছে কৌতূহলী মানুষের ভিড়। ক্রেতারা কেবল ঝালমুড়ি খেতেই আসছেন না, বরং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কী কথা হলো তা জানতেই বেশি আগ্রহী। এলাকার মানুষের কাছে বিক্রম এখন এক প্রকার ‘সেলিব্রিটি’ হয়ে উঠেছেন। এমনকি বন্ধুবান্ধব ও পরিচিত মহলেও তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক উন্মাদনা। অনেকে তাঁর সঙ্গে সেলফি তুলতেও ভিড় জমাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী বিক্রমের কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসা করার পাশাপাশি তাঁর পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। একজন প্রান্তিক শ্রমিকের হাতের তৈরি খাবারের প্রশংসা করার এই ইতিবাচক বার্তা সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছে। বিক্রম জানিয়েছেন, প্রচার বা খ্যাতির চেয়েও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সেই উৎসাহ তাঁর আগামী দিনের লড়াইয়ে অনেক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
এক ঝলকে
- ঝাড়গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতা ও তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়ার পর রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন বিক্রম।
- বর্তমানে তাঁর দোকানে ক্রেতা ও কৌতূহলী সাধারণ মানুষের লম্বা লাইন এবং সেলফি তোলার হিড়িক পড়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীর এই সৌজন্যমূলক আচরণ ও প্রশংসা বিক্রমকে কর্মজীবনে নতুন আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।