মোবাইলের আলোয় জীবন বাঁচানো! ১২ বছর পর চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কি হচ্ছে?
১২ বছর পর আলোচিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
মুম্বইয়ের গোবিন্দির ঘটনা। ২০১৪ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সলমান বাবের শাহের অস্ত্রোপচারের সময় চরম গাফিলতির অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১২ বছর পর মামলা দায়ের করা হল। ওই যুবকের পরিবার অভিযোগ করে, অস্ত্রোপচারের দিন হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইলের টর্চ ব্যবহার করে চিকিৎসকের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। সে বছরই সেপটিসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ২৩ বছর বয়সী সলমানের। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত নির্দেশ দিলে পুলিশ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অস্ত্রোপচার ও মায়ের লড়াই
তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল সলমানের উরুর হাড়ের অস্ত্রোপচার চলাকালীন বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন ছিল। সেই অবস্থায় মোবাইলের টর্চ জ্বেলে অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসক। এর পরপরই রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং রক্তে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের পরিবার দাবি করে, এই পরিকাঠামোহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ অস্ত্রোপচারের কারণেই সলমানের মৃত্যু হয়েছে। ছেলের মৃত্যুর ন্যায়বিচার পেতে মা নাসিম বানু ১২ বছর ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। আদালতের কড়া নির্দেশের পরই অবশেষে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।