১০০ বছরের প্রাচীন মন্দির গুঁড়িয়ে মাদ্রাসা! ক্ষোভে ফুঁসছে ভিএইচপি – বর্তমান বাংলা

১০০ বছরের প্রাচীন মন্দির গুঁড়িয়ে মাদ্রাসা! ক্ষোভে ফুঁসছে ভিএইচপি – বর্তমান বাংলা

বর্তমান ডেস্কঃ

পাকিস্তানে শতবর্ষ প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির ধ্বংসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযোগ করেছে যে, মন্দিরটি গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে একটি মাদ্রাসা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে মৌলবাদীরা। ভিএইচপি-র জাতীয় মুখপাত্র সুরেন্দ্র জৈন জানান, মাত্র দু’মাস আগেই দেড়শো বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক গুরুদ্বারেও একইভাব হামলা চালানো হয়েছিল।

পাকিস্তানে হিন্দু ও শিখ সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান অত্যাচার, মহিলাদের অপহরণ এবং ধর্মীয় স্থানগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদে মুখর হয়েছে নানা সংগঠন। ভিএইচপি এই বিষয়ে ইসলামাবাদ প্রশাসনের চরম উদাসীনতা ও প্রত্যক্ষ মদদের অভিযোগ তুলে ধরেছে। এর প্রতিবাদে রাষ্ট্রীয় বজরং দল রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এবং পাকিস্তানের পতাকা ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্বদের কুশপুতুল দাহ করে। অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছে তারা।

অন্যদিকে, মন্দিরটি ধ্বংসের কারণ নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম দ্বিমত। পাকিস্তানের প্রখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘ডন’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২১ আগস্ট মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়। স্থানীয় সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা সংগঠন ‘পাকিস্তান মাসিহা মিল্লাত পার্টি’ অভিযোগ করেছে, পার্শ্ববর্তী সেমিনারি সম্প্রসারণ ও ভেতরের মূল্যবান সামগ্রী লুটের উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই কাঠামোটি ভাঙা হয়েছে। তারা এর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। তবে সম্পূর্ণ দায় এড়িয়ে পাকিস্তানের ‘ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড’ (ETPB) দাবি করেছে, মন্দিরটির জীর্ণ কাঠামোটি কোনো হামলার কারণে নয়, বরং ভারী বর্ষার কারণেই ভেঙে পড়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *