হঠাৎ বড় ঘোষণা! হামাস হিজবুল্লাহর অর্থ বন্ধ! এবার কি ট্রাম্পের কড়া চাল?
ইরান-আমেরিকা শান্তি আলোচনায় নতুন মোড়: তেহরানের নীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে চলেছে। তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, ইরান হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন ও অর্থায়ন বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, তেহরান এখন মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে আমেরিকার সঙ্গে প্রতিটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে আগ্রহী। এই সমঝোতা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই চলতি সপ্তাহান্তেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি শান্তি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে হিজবুল্লাহ ও হামাসের প্রধান মদতদাতা হিসেবে পরিচিত হলেও, বর্তমানে প্রবল কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে তেহরান তাদের অবস্থানে পরিবর্তন আনছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, ইরান এখন একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে এতটাই মরিয়া যে তারা তাদের পুরনো মিত্রদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেও দ্বিধা করছে না। তবে লেবানন ও ইসরায়েল সীমান্তে যে যুদ্ধবিরতি চলছে, তাকে ঘিরে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। হিজবুল্লাহ ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, কাগজে-কলমে বিরতি থাকলেও তাদের লক্ষ্য এখনও স্থির রয়েছে।
ইরানের এই নমনীয় মনোভাবের মধ্যেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান এখনই পুরোপুরি থামছে না। ট্রাম্পের অনুরোধে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও, ইসরায়েল দাবি করেছে যে তারা ইতোমধ্যেই হিজবুল্লাহর প্রায় ৯০ শতাংশ রকেট ও মিসাইল ভাণ্ডার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। নেতানিয়াহুর মতে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নির্মূল করার প্রক্রিয়া এখনও সমাপ্ত হয়নি, যা ওই অঞ্চলে পুনরায় সংঘর্ষের ঝুঁকি জিইয়ে রাখছে।