যুদ্ধবিরতিSplits! ইরান কি আরও শক্তিশালী হচ্ছে?

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি

আমেরিকার সঙ্গে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান নিজেদের সামরিক সক্ষমতা নজিরবিহীনভাবে বৃদ্ধি করেছে। ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল মুসাভি দাবি করেছেন, এই সময়ে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতির চেয়েও দ্রুতগতিতে সমৃদ্ধ করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা কৌশলে বড় পরিবর্তন এনে ইরান তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটগুলোকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলেছে। জেনারেল মুসাভি জানান, ইরান যখন দেশীয় প্রযুক্তিতে নিজেদের অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে, তখন প্রতিপক্ষ দেশগুলো বিদেশের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় গোলাবারুদ সরবরাহে সংকটে পড়েছে। হরমোজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও আঞ্চলিক আধিপত্য বজায় রাখতে ইরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই সংক্ষিপ্ত বিরতিকে নিজেদের সামরিক দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছে।

ইরানের এমন আগ্রাসী মনোভাবের ফলে পরবর্তী সময়ে যুদ্ধ শুরু হলে তা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেহরান জানিয়েছে, তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংগঠিত এবং যেকোনো হামলার কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত। অন্যদিকে, ইসরায়েল ও আমেরিকার মতো দেশগুলোকে তাদের অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূর্ণ করতে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের জন্য সময়সাপেক্ষ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *