মস্কোর তেল শোধনাগারে বিধ্বংসী ড্রোন হামলা, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকেই কি বদলে গেল সমীকরণ?
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি প্রধান তেল শোধনাগারে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ৫৫৫টি ড্রোন ধ্বংস করলেও মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন স্বীকার করেছেন যে, বেশ কিছু ড্রোন শোধনাগারে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। হামলার ফলে ওই এলাকায় বিশাল অগ্নিকাণ্ড ও কালো ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। মস্কোর মোট তেলজাত পণ্যের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ এই শোধনাগার থেকে মেটানো হয়, যার ফলে এই আঘাত রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহে বড় সংকট তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইউক্রেনের এই নতুন ও আগ্রাসী রণনীতির পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, ওয়াশিংটন তাদের সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা প্রদানে প্রস্তুত। ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পরপরই জেলেনস্কি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি ইউক্রেন জ্বলে, মস্কোও পুড়বে।” একই সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্মেলনের মঞ্চে শান্তির বার্তা দিয়ে যুদ্ধের আগের স্থিতাবস্থায় ফিরে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তবে এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই ড্রোন হামলার পাল্টা হিসেবে রাশিয়া কিয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে।