মমতার পার্টি অফিসে সিআইডি হানা, ইন্দিরা গান্ধীর সেই ম্যাজিকেই কি ঘুরে দাঁড়াবে তৃণমূল?
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংকটের আবহে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উত্থান এবং দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি অফিসে সিআইডি তল্লাশি চালানোর ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গেছে। দলের নিয়ন্ত্রণ ও প্রতীক নিয়ে অনিশ্চয়তার এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রামের তুলনা করছেন। ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৬৯ এবং ১৯৭৮ সালে দুবার দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরেও ইন্দিরা গান্ধী জনসমর্থনের জোরে প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। ১৯৬৯ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ এবং পরবর্তীতে ‘গরিবি হটাও’ স্লোগান ও আপসহীন লড়াইয়ের মাধ্যমে তিনি পুনরায় ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছিলেন। বর্তমানে তৃণমুলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দলীয় প্রতীক বা সংগঠনের চেয়ে জনসমর্থনই যেকোনো রাজনৈতিক সংকটে ঘুরে দাঁড়ানোর মূল চাবিকাঠি।