‘ভয়ের রাজত্ব শেষ, বাংলায় নতুন ভোর’, ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রথম হুঙ্কার শুভেন্দুর
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে চলেছে বিজেপি। প্রাথমিক ফলাফল ও ট্রেন্ড অনুযায়ী ২০০-রও বেশি আসনে জয় নিশ্চিত হতেই সাধারণ ভোটার ও দলের কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই জয়কে ‘ঐতিহাসিক জনাদেশ’ হিসেবে বর্ণনা করে বাংলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বিজেপি কর্মীদের উৎসর্গিত জয়
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রতিক্রিয়ায় এই সাফল্যের কৃতিত্ব সম্পূর্ণভাবে দলীয় কর্মীদের দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে বিজেপি কর্মীরা নিজেদের রক্ত ও ঘাম দিয়ে এই জয়ের পথ প্রশস্ত করেছেন। কর্মীদের ত্যাগের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও উন্নয়নের প্রতি মানুষের অগাধ বিশ্বাসকেই এই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এবার ভয়কে জয় করে উন্নয়নের পথ বেছে নিয়েছে।
উন্নয়ন ও আগামীর লক্ষ্য
রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের এই আবহে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, নবগঠিত সরকার বাংলার মানুষের স্বপ্নপূরণে দায়বদ্ধ থাকবে। ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে এই জয় অঙ্গ-কলিঙ্গ-বঙ্গ অঞ্চলে জাতীয়তাবাদী ভাবধারাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদী। বিশেষ করে রাজবংশী ও আদিবাসী ভোটব্যাংকের সমর্থন এই ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তনের ফলে রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো ও উন্নয়নমূলক নীতিতে বড়সড় রদবদল আসতে পারে।
নন্দীগ্রামে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করলেও ভবানীপুর কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলেছে। তবে সামগ্রিক ফলাফলে রাজ্যে পদ্ম শিবিরের আধিপত্য স্পষ্ট হতেই নতুন বাংলা গড়ার অঙ্গীকার করেছেন শুভেন্দু। তাঁর এই বার্তা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।