বামেদের জন্য প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত? ৪ মে-র আগে মানসী সিনহার ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে জোর চৰ্চা
আগামীকাল ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের হাই-ভোল্টেজ ফলাফল। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে যখন সেয়ানে সেয়ানে লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে, ঠিক তখনই বামেদের নিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ ভবিষ্যদ্বাণী করলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী তথা পরিচালক মানসী সিনহা। তাঁর মতে, ২০২৬-এর এই নির্বাচন আদতে দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়ে বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই।
ফিরছে কি আলিমুদ্দিন?
ফল ঘোষণার আগের দিন রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, তখন মানসী সিনহা বাম শিবিরের সম্ভাবনা নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবার বামেরা সরকার গঠন করতে না পারলেও বিধানসভায় তাঁদের উপস্থিতিতে বড়সড় চমক থাকতে পারে। অভিনেত্রী মনে করেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে বামেদের যে বিপুল ভরাডুবি হয়েছিল, এবার সেই ধাক্কা সামলে তারা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন দখল করতে পারে।
প্রত্যাবর্তনের সূচনা
মানসী সিনহার দাবি, এই নির্বাচনটি বামেদের জন্য কেবল হার-জিতের লড়াই নয়, বরং রাজ্যে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব পুনরায় শক্ত করার মঞ্চ। সাংস্কৃতিক জগতের বহু ব্যক্তিত্বই এবার বামেদের ‘নতুন রক্ত’ ও তরুণ প্রার্থীদের হয়ে সওয়াল করেছিলেন। মানসী বিশ্বাস করেন, তৃণমূল ও বিজেপির দ্বিমুখী লড়াইয়ের মাঝে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ ফের কাস্তে-হাতুড়ির দিকে ঝুঁকেছেন। তাঁর কথায়, “সরকার গড়ার মতো সংখ্যা হয়তো আসবে না, কিন্তু এই নির্বাচনই হবে বামেদের প্রত্যাবর্তনের আসল সূচনা।”
পরীক্ষার মুখে মানসীর অনুমান
নির্বাচনী ময়দানে মানসী সিনহার এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। বামেদের তরুণ ব্রিগেড কি সত্যিই বিধানসভায় শাসক ও প্রধান বিরোধী দলের শক্ত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারবে? নাকি মানসীর এই অনুমান কেবল ইচ্ছাপূরণ হিসেবেই থেকে যাবে? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামীকাল সকাল থেকে ইভিএম খোলা শুরু হলেই। ৪ মে-র মহাযুদ্ধের ফলাফলের দিকেই এখন তাকিয়ে গোটা বাংলা।
প্রতিবেদক: স্বাধীন মানব দাস।