পাহাড়ে রাজনীতির নজিরবিহীন ধস, অনীত থাপার পর পদত্যাগ ডজনখানেক সভাসদের!
জিটিএ-এর চিফ এক্সিকিউটিভ পদ থেকে অনীত থাপার পদত্যাগের দু’দিনের মাথায় তাঁর দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চায় বড় ধরনের ভাঙন ধরেছে। শুক্রবার কার্শিয়াঙে আয়োজিত ড্যামেজ কন্ট্রোল বৈঠকের মাঝেই ১২ জন জিটিএ সভাসদ দলের যাবতীয় পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। একই সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন জিটিএ-এর ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ সঞ্চবির সুব্বা এবং কার্শিয়াং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অনু ছেত্রী। এই গণপদত্যাগের ফলে পাহাড়ের রাজনীতিতে অনীত থাপার একাধিপত্য বর্তমানে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
পাহাড়ের রাজনৈতিক এই রদবদলের নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যা এবং সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। ২০২২ সালে ক্ষমতায় আসার পর জিটিএ আশানুরূপ আর্থিক সাহায্য না পাওয়ায় পাহাড়ের জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর সরকারি কর্মসূচিতে জিটিএ কর্মকর্তাদের এড়িয়ে চলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপির জয় এই পরিস্থিতির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। অনীত থাপার পদত্যাগ পাহাড়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে এবং স্থানীয় নেতারা মনে করছেন, এখন পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের দায়ভার বিজেপির ওপরই বর্তালো। এই ঘটনায় দীর্ঘ দুই দশক পর ফিরে আসা পাহাড়ের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা বড় ধরনের ভাঙনের সম্মুখীন হয়েছে।