নারী সম্মান! বিল নিয়ে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর।
লোকসভায় নারী সংরক্ষণ বিল বাতিল, দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক
লোকসভায় নারী সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলটি ভোটাভুটিতে বাতিল হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ঘটনার জন্য কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে এবং সমাজবাদী পার্টির মতো পরিবারবাদী দলগুলোকে সরাসরি দায়ী করেছেন। শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি অভিযোগ করেন, মহিলারা নিজেদের অধিকার হরণের এই অপমান কখনো ভুলবেন না এবং বিরোধী দলগুলো নারী স্বার্থের এই প্রস্তাব ভেস্তে যাওয়ার সময় হাততালি দিয়ে আনন্দ উদযাপন করছিল। বিজেপি এই বিলের পতনকে ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের জন্য একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
নারী ক্ষমতায়ন বনাম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা দাবি করেছেন, বিরোধী দলগুলো, বিশেষ করে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন জোট, নারী ক্ষমতায়ন ও আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব উভয়কেই দুর্বল করেছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসসহ ইন্ডিয়া জোটের দলগুলো এই বিলটিকে কেন্দ্রের একটি ‘রাজনৈতিক চাল’ ও ‘ষড়যন্ত্র’ বলে ব্যাখ্যা করেছে। তাদের দাবি, ২০২৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে ২০২৩ সালের আইন অনুযায়ী বর্তমান আসন সংখ্যার ভিত্তিতেই অবিলম্বে নারী সংরক্ষণ কার্যকর করা হোক। বিরোধীদের মূল আপত্তির জায়গা ছিল নারী সংরক্ষণকে লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি বা সীমানা পুনর্নির্ধারণের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া। এই বিলটি বাতিল হয়ে যাওয়ায় ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াটি বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এর প্রভাব আগামী বিধানসভা নির্বাচনগুলোতেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।