ধর্মান্তর বিতর্কে উত্তাল টিসিএস, তড়িঘড়ি বন্ধ হলো নাসিকের বিপিও!

বর্তমান ডেস্কঃ

যৌন নির্যাতন ও ধর্মান্তর বিতর্কে উত্তাল টিসিএস, নাসিকের বিপিও বন্ধের নির্দেশ

যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের মতো গুরুতর অভিযোগে জেরবার দেশের অন্যতম শীর্ষ আইটি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস (টিসিএস)। মহারাষ্ট্রের নাসিক কেন্দ্রে কর্মরত অন্তত ৯ জন মহিলা কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে বর্তমানে উত্তাল পরিস্থিতি। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে টিসিএস কর্তৃপক্ষ সংস্থার নাসিক বিপিও বিভাগের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমস্ত কর্মীকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু ও আইনি পদক্ষেপ
অভিযোগকারী কর্মীদের দাবি, ২০২১ সাল থেকেই সংস্থার অভ্যন্তরে এই ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল। কর্মক্ষেত্রে প্রলোভন, মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের চেষ্টার অভিযোগ উঠছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ সময় ধরে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনলেও যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগের একাংশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় নাসিক পুলিশ একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে। শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরকরণের চেষ্টার অভিযোগে ইতিমধ্যে আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার ও অশ্বিন চাইনানি নামে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘটনাটির ভয়াবহতা ও আইনি প্রক্রিয়ার কারণে টিসিএস-এর মতো নামী সংস্থার সুনাম ও কাজের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশের জোর তদন্ত চলছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এক নজরে

  • টিসিএস-এর নাসিক কেন্দ্রের ৯ জন মহিলা কর্মী যৌন হেনস্তা ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ তুলেছেন।
  • পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সংস্থাটি নাসিকের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে কর্মীদের বাড়িতে থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।
  • শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরকরণের অভিযোগে পুলিশ ইতিমধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
  • বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে নাসিক পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *