রাস্তায় ডিম না ফেলে বাচ্চাদের খাওয়ান! মিড-ডে মিল বিতর্কে গর্জে উঠলেন শোভনদেব
সরকারি স্কুলে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া নিয়ে বিতর্ক, ক্ষোভ প্রকাশ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের
রাজ্যের সরকারি স্কুলে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘ইসকন’-এর হাতে তুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিধানসভার বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ইসকন একটি কট্টর নিরামিষাশী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এবং তাদের রান্নাঘরে পেঁয়াজ-রসুনের ব্যবহার না থাকায় স্কুলপড়ুয়ারা প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এতদিন সরকারি স্কুলে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে ডিম দেওয়া বাধ্যতামূলক থাকলেও, ইসকনের আদর্শ অনুযায়ী তাদের রান্নাঘরে ডিম বা মাংস প্রবেশ করতে না দেওয়ায় মেনু থেকে ডিম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিধানসভার ফ্লোরে দাঁড়িয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষের সুরে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়ার ঘটনা না ঘটিয়ে সেই ডিমগুলো নষ্ট না করে স্কুলের গরিব বাচ্চাদের মিড-ডে মিলের পাতে দেওয়া হোক। এদিকে, ইসকনের সহযোগিতায় ‘সেন্ট্রালাইজড কিচেন’ বা কেন্দ্রীয় রান্নাঘরের ব্যবস্থা চালু হলেও, পড়ুয়াদের জন্য প্রাণিজ প্রোটিনের বিকল্প কী হবে, তা নিয়ে শিক্ষা দপ্তর এখনও কোনো স্পষ্ট রূপরেখা দেয়নি। এই অস্পষ্টতা ও পুষ্টিজনিত উদ্বেগের কারণে শিক্ষক, অভিভাবক ও পুষ্টিবিদদের একাংশের মধ্যে প্রবল ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।