স্মার্টফোনে বন্দি বাবা-মা, একাকীত্বে কাঁদছে আপনার সন্তান!

আধুনিক জীবনযাত্রায় কর্মব্যস্ত বাবা-মায়ের স্মার্টফোনে মগ্ন থাকার প্রবণতা বা ‘ফাবিং’ শিশুদের শৈশব ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কাছের মানুষকে উপেক্ষা করে ফোনে সময় কাটানোর ফলে শিশুরা নিজেকে গুরুত্বহীন মনে করছে, যা তাদের মধ্যে একাকীত্ব, জেদ ও রাগের মতো আচরণগত সমস্যার জন্ম দিচ্ছে। এছাড়া পারস্পরিক চোখের যোগাযোগ ও মনোযোগের অভাবে শিশুদের ভাষাগত ও সামাজিক দক্ষতা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং পারিবারিক সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ছে।

এই সংকট নিরসনে দৈনন্দিন রুটিনে কিছু পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট স্মার্টফোন দূরে সরিয়ে রেখে সন্তানকে নিরবচ্ছিন্ন সময় দেওয়া, খাবারের টেবিলকে ‘নো ফোন জোন’ ঘোষণা করা এবং শিশুদের সামনে বাবা-মায়ের ফোন সচেতনতা বজায় রাখা জরুরি। ভার্চুয়াল জগতের চেয়ে সন্তানের সঙ্গে বাস্তবের সংযোগ গাঢ় হলে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে এবং পারিবারিক বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *