মিড ডে মিলে ডিমের বদলে সয়াবিন, পুষ্টির ঘাটতি নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

কলকাতা পুরসভার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনকে। নতুন এই ব্যবস্থায় মেনু থেকে ডিম বাদ দিয়ে তার পরিবর্তে সয়াবিন, পনির এবং রাজমার মতো নিরামিষ পদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইসকনের দাবি, ডায়েটিশিয়ানের নজরদারিতে পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও ভিটামিনের মাত্রা বজায় রাখা হবে। তবে খাদ্যতালিকায় ডিম না থাকায় ছোটদের পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা নিয়ে চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মধ্যে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

পুষ্টিবিদ ডা. অরিত্র খাঁর মতে, ডিম একটি সুষম আহার হলেও সয়াবিনের প্রোটিনও উচ্চমানের। তবে অ্যাসোসিয়েশন অব হেলথ সার্ভিস ডক্টরস-এর সাধারণ সম্পাদক ডা. উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, উদ্ভিজ্জের চেয়ে প্রাণিজ প্রোটিন বেশি কার্যকর হওয়ায় ডিমের বিকল্প নেই। এর বিপরীতে, এনএমও-এর সভাপতি ডা. রুদ্রনীল নন্দী মনে করেন, সুপরিকল্পিত নিরামিষ আহারেও পুষ্টির ঘাটতি মেটানো সম্ভব। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. রজত বসুর মতে, ইসকন নিরামিষ খাবার সরবরাহ করলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে ডিম বা দুধের মতো প্রাণিজ প্রোটিনের ব্যবস্থা রাখতে পারে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির ফলাফল বিশ্লেষণের ওপরই শিশুদের পুষ্টির বিষয়টি নির্ভর করছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *