২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানো বাংলাদেশের চরম ভুল ছিল, দাবি তামিম ইকবালের!
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার ঘটনাকে দেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিসিবির বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবাল। নিরাপত্তা ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত সফরে না যাওয়ার এবং ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অনড় ছিল তৎকালীন বোর্ড। শেষ পর্যন্ত কোনো ঐকমত্য না হওয়ায় বাংলাদেশকে ছাড়াই আয়োজিত হয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের এই মেগা আসর। তামিম মনে করেন, এই হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে দেশের ক্রিকেট।
আলোচনায় ব্যর্থতা ও বিসিবির অনড় অবস্থান
তামিম ইকবালের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) শুরুতে বিষয়টি নিয়ে নমনীয় ছিল এবং আলোচনার সুযোগ রেখেছিল। তবে বিসিবির তৎকালীন কর্তারা গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধান বের করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার যে কঠোর অবস্থান বোর্ড নিয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত হিতে বিপরীত হয়েছে। তৎকালীন বোর্ডের এই কূটনৈতিক ব্যর্থতা ও দূরদর্শিতার অভাবই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ধূলিসাৎ হওয়ার প্রধান কারণ বলে মনে করেন বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট।
ক্রিকেটে সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব
বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে অংশ না নেওয়ায় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি যেমন ক্ষুণ্ণ হয়েছে, তেমনি খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগও নষ্ট হয়েছে। তামিম স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, রাজনৈতিক বা নিরাপত্তা অজুহাত দেখিয়ে খেলা থেকে দূরে থাকা কোনো সমাধান নয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘমেয়াদে স্পনসরশিপ ও আইসিসির রাজস্ব বণ্টনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে আরও পেশাদার ও কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।