ফলতায় তৃণমূলের সন্ত্রাসকে ধুয়ে মুছে সাফ করবে মানুষ, গণনার আগে ২০০ পার নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মহাগণনার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে রাজ্য রাজনীতিতে চড়ল উত্তেজনার পারদ। ৪ মে-র ফলাফল নিয়ে চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, এবার রাজ্যে তৃণমূলের হারের সম্ভাবনা নিশ্চিত এবং বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে চলেছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পরিস্থিতি তুলে ধরে শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।
ফলতায় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ ও কমিশনের হস্তক্ষেপ
দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ফলতায় বছরের পর বছর ধরে ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হয়নি। নির্বাচনের আগের রাতে ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়া থেকে শুরু করে বুথে বুথে ত্রাস সৃষ্টির যে সংস্কৃতি তৃণমূল তৈরি করেছে, তার বিরুদ্ধে এবার মানুষ রাস্তায় নেমে সরব হয়েছেন। গত ২৯ এপ্রিল এই কেন্দ্রে নজিরবিহীন নির্বাচনী অনিয়ম ধরা পড়ার পর, নির্বাচন কমিশন ফলতার ২৮৫টি বুথেই ভোট বাতিল করে দিয়েছে। আগামী ২১ মে এই কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে এবং ফল ঘোষণা করা হবে ২৪ মে। দিলীপের মতে, কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় এবার গুন্ডাবাহিনী আর আগের মতো প্রভাব খাটাতে পারবে না।
মমতার ‘২০০ পার’ লক্ষ্যকে কটাক্ষ ও জয়ের পূর্বাভাস
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘২০০ আসন’ পাওয়ার দাবিকে স্রেফ ‘নাটক’ এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা বলে উধাও করে দিয়েছেন মেদিনীপুরের এই প্রাক্তন সাংসদ। তাঁর দাবি, ৪ মে-র ফলাফল স্পষ্ট করে দেবে যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তনের জন্য মনস্থির করে ফেলেছেন। সুপ্রিম কোর্ট ভোট গণনায় কেন্দ্রীয় কর্মীদের নিয়োগের যে সবুজ সংকেত দিয়েছে, তাকে স্বাগত জানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এবার গণনায় কারচুপি করার কোনো সুযোগই থাকবে না। সামগ্রিকভাবে, নির্বাচনের ফলাফলের আগে দিলীপের এই মন্তব্য গেরুয়া শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও একবার উসকে দিয়েছে।