ডিএ মামলায় বড় ধাক্কা, সুপ্রিম কোর্টে মিথ্যে তথ্যের অভিযোগে তোপের মুখে ভাস্কর ঘোষ!
বর্তমান ডেস্কঃ
ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে শুনানি স্থগিত: ক্ষোভ প্রকাশ নিখিলবঙ্গ সরকারি কর্মচারী সমিতির
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) দাবিতে দায়ের করা মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে আবারও পিছিয়ে যাওয়ায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিখিলবঙ্গ সরকারি কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর ঘোষ। বুধবার শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য থাকলেও, তা কার্যতালিকা থেকে বাদ পড়ায় হতাশ দীর্ঘদিনের আন্দোলনকারীরা। ভাস্কর ঘোষের অভিযোগ, রাজ্য সরকার হলফনামার মাধ্যমে সর্বোচ্চ আদালতে ‘ডাহা মিথ্যে’ তথ্য উপস্থাপন করেছে, যা বিচারের দীর্ঘসূত্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আইনি জটিলতায় অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ের জেরে রাজ্যের কয়েক লক্ষ সরকারি কর্মচারী তাঁদের প্রাপ্য আর্থিক পাওনা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। সমালোচকদের মতে, রাজ্য সরকারের বারবার আইনি কৌশলে সময়ক্ষেপণ করার প্রবণতাই মামলার নিষ্পত্তিতে মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আদালতের দরজায় দাঁড়িয়ে কর্মীরা আশান্বিত হলেও, বারের পর বার তারিখ পিছিয়ে যাওয়ায় সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। আইনি বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ প্রদানের বিষয়টি এখন কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের উপরই নয়, বরং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় ঝুলে রয়েছে।
প্রভাব ও পরবর্তী পদক্ষেপ
এই বিলম্বের কারণে আগামী দিনে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে আন্দোলনের তেজ আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মামলার শুনানি বারংবার পিছিয়ে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্কৃতির ওপর এবং রাজ্য-কর্মচারী সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও প্রকট হচ্ছে। আগামী দিনে রাজ্য সরকার যদি সঠিক ও স্বচ্ছ তথ্য দিয়ে দ্রুত শুনানির পথ প্রশস্ত না করে, তবে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা প্রশাসনিক জটিলতাকে আরও জটিল করে তুলবে বলেই মনে করছেন সচেতন মহল।
এক নজরে
- রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে ফের স্থগিত।
- শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় ‘ডাহা মিথ্যে’ তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে রাজ্যের তীব্র সমালোচনা করলেন ভাস্কর ঘোষ।
- মামলার দীর্ঘসূত্রতার ফলে সরকারি কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- দ্রুত শুনানির দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন কর্মচারী সংগঠনগুলো।