সাম্রাজ্যবাদের স্মৃতি মুছে লোকভবনে এবার ‘রাষ্ট্রবাদী বাংলার’ জয়গান!
পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক বাসভবন তথা ‘লোকভবন’-এর বিভিন্ন কক্ষ, হল, প্রবেশদ্বার ও উদ্যানের ঔপনিবেশিক নাম পরিবর্তন করে বাংলার মনীষী, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বদের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। রাজ্যপাল আর এন রবির অনুমোদনের পর রাজ্যপালের সচিব ড. সৌমিত্র মোহনের স্বাক্ষরে এই সংক্রান্ত একটি সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত নতুন নাম অনুযায়ী ভবনটিতে ফলক ও সাইনবোর্ড বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক মানসিকতা ও সাম্রাজ্যবাদের চিহ্ন মুছে ফেলার লক্ষ্যে গ্রহণ করা এই সিদ্ধান্তে ‘প্রিন্স অব ওয়েলস স্যুইট’-এর নাম বদলে ‘গুরুদেব কক্ষ’, ‘ওয়েলেসলি স্যুইট’-এর নাম ‘মাতঙ্গিনী কক্ষ’ এবং ‘ডাফরিন স্যুইট’-এর নাম ‘হরিচাঁদ ঠাকুর কক্ষ’ করা হয়েছে। এছাড়া ‘থ্রোন রুম’ এখন ‘বন্দেমাতরম সভাঘর’, ‘মার্বেল হল’-এর অংশগুলো পরমহংস, বিবেকানন্দ ও মা সারদার নামে এবং লাইব্রেরির নাম ‘বিদ্যাসাগর গ্রন্থাগার’ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, মূল প্রবেশদ্বারগুলোর নাম কবিগুরু দ্বার, ঋষি বঙ্কিম দ্বার, ক্ষুদিরাম বসু দ্বার ও সিধু-কানু দ্বার করা হয়েছে এবং রাজ্যপালের অফিস কক্ষটির নাম রাখা হয়েছে ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কক্ষ’।