সংসদে বড় জয়, অবশেষে পাস হলো ঐতিহাসিক মহিলা সংরক্ষণ বিল!

বর্তমান ডেস্কঃ

লোকসভায় পেশ হলো নারী সংরক্ষণ বিল, বিরোধিতায় ‘ইন্ডিয়া’ জোট

সংসদে তীব্র হট্টগোল ও বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেই লোকসভায় পেশ হলো কেন্দ্রের প্রস্তাবিত ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ (সংবিধানের ১৩১ তম সংশোধনী বিল)। এর পাশাপাশি লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০-এ উন্নীত করা সংক্রান্ত সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিলও পেশ করেছেন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। বিল পেশের আগে ভোটাভুটির দাবিতে অনড় ছিল ‘ইন্ডিয়া’ জোট। শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটি হলে বিলটি ২০৭-১২৬ ভোটে পেশ করার অনুমতি পায়। তবে উভয় শিবিরের বহু সাংসদের অনুপস্থিতি এই গুরুত্বপূর্ণ ভোটাভুটিতে বড় ধরনের সমীকরণ তৈরি করেছে।

আসন পুনর্বিন্যাসের পদ্ধতি নিয়ে সংঘাত
২০২৩ সালে নারী সংরক্ষণ বিলটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হলেও, এবারের সংশোধনী নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। পূর্বের নিয়মে জনগণনার ওপর ভিত্তি করে আসন পুনর্বিন্যাসের শর্ত ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে দ্রুত এই প্রক্রিয়া শেষ করতে চাইছে, যার বিরোধিতা করছে বিরোধী দলগুলো। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিলটি চূড়ান্তভাবে পাশ করাতে লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ বা ৩৬২টি ভোটের প্রয়োজন। বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে এনডিএ ও বিরোধী জোটের শক্তি এবং সাংসদদের অনুপস্থিতি বিবেচনায় বিলটি পাশ করানো সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক নজরে

  • লোকসভায় নারী সংরক্ষণসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করা হয়েছে।
  • বিল পেশের পক্ষে ২০৭টি এবং বিপক্ষে ১২৬টি ভোট পড়েছে; দুই শিবিরেই ছিল সাংসদদের ব্যাপক অনুপস্থিতি।
  • পুরনো জনশুমারির ভিত্তিতে দ্রুত আসন পুনর্নির্ধারণের সরকারি উদ্যোগ নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি রয়েছে।
  • বিলটি আইনে পরিণত করতে প্রয়োজন দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা, যা বর্তমান সংখ্যাতত্ত্বে সরকারের জন্য বেশ কঠিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *