ভেস্তে গেল ট্রাম্পের বড় পরিকল্পনা! পাকিস্তান যাওয়ার আগেই শান্তি প্রস্তাব খারিজ করল তেহরান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে নির্ধারিত শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সাফ মানা করে দিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রতিনিধি দলে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নাম চূড়ান্ত থাকলেও, শেষ মুহূর্তে তেহরানের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক কূটনীতিতে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ইরনা’ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের একতরফা শর্ত এবং বিচিত্র সব দাবির মুখে কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব নয় বলে তারা মনে করছে।

হোরমুজ প্রণালীতে সামরিক উত্তেজনা ও দ্বিমুখী নীতি

এই সংঘাতের মূলে রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘স্ট্রেট অফ হোরমুজ’। ইরান অভিযোগ করেছে, একদিকে যখন যুদ্ধবিরতির কথা বলা হচ্ছে, তখন অন্যদিকে তাদের বন্দরে নৌ-অবরোধ জারি রেখেছে মার্কিন নৌবাহিনী। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গলায় ছুরি ধরে রেখে শান্তির আলোচনা চলতে পারে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থানকে সরাসরি যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিপন্থী হিসেবে দেখছে ইরান।

কূটনৈতিক সংকটে পাকিস্তান ও ট্রাম্পের হুমকি

ডোনাল্ড ট্রাম্পের উস্কানিমূলক বিবৃতি ও একের পর এক হুমকি পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেদের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার দ্রুত ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনার দরজা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে ইরানের অনড় অবস্থানের কারণে আপাতত এই শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এক ঝলকে

  • ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি আলোচনায় যোগ দিতে অস্বীকার করল ইরান।
  • মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো সমঝোতা সম্ভব নয় বলে তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে।
  • স্ট্রেট অফ হোরমুজে দুই দেশের নৌবাহিনীর মুখোমুখি অবস্থানে উত্তেজনা তুঙ্গে।
  • পরিস্থিতি সামাল দিতে ও শান্তি প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখতে কূটনৈতিক চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *