বীরভূমে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কি? সব উত্তর শতাব্দী রায়ের কাছে!
বীরভূমে বিধানসভা যুদ্ধের উত্তাপ: শতাব্দী রায়ের মুখে ঐক্যের বার্তা, বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমের রাজনৈতিক সমীকরণ ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করছে। জেলার সংগঠন ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে মুখ খুলেছেন বীরভূমের সাংসদ ও তারকা প্রচারক শতাব্দী রায়। তিনি স্বীকার করেছেন যে দল বড় হলে ছোটখাটো মতভেদ থাকা স্বাভাবিক, তবে নির্বাচনের ময়দানে সকলেই তৃণমূলের স্বার্থে একজোট হয়ে লড়াই করবে। একইসাথে, দলের ভেতর থেকে বিশ্বাসঘাতকতা করলে তার পরিণাম ভালো হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে, অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতিতে জেলায় সংগঠন কতটা শক্তিশালী থাকবে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।
বিজেপি ও নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণকে শতাব্দী রায়ের আক্রমণ
ছত্রিশগড়ের রাজ্য সরকার বৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে বলে শতাব্দী রায় গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর মতে, এটি তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসানোর একটি চক্রান্ত। পাশাপাশি, হুমায়ুন কবীরের নতুন দল নিয়ে তিনি তীব্র আক্রমণ করেছেন। তাঁর মন্তব্য, সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করার এই প্রচেষ্টা পরোক্ষভাবে বিজেপিকেই সুবিধা করে দেবে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।
উন্নয়নের নিরিখে জয়ের আশা, বিরোধীদের চক্রান্ত ব্যর্থ করার প্রত্যয়
অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, বীরভূমের সাধারণ মানুষ উন্নয়নের নিরিখে তৃণমূলকে ভোট দেবেন বলে শতাব্দী রায় আশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে বিরোধীদের সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ বা বিভাজনের রাজনীতি বীরভূমের সচেতন ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে পারবে না। আগামী ৪ মে-র জনরায় কোন দল জয়ী হবে, সেইদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল, এবং তৃণমূল আত্মবিশ্বাসী যে জেলার উন্নয়নের নিরিখে তারা জয়লাভ করবে।