ফল ঘোষণার আগেই গেরুয়া শিবিরে উৎসবের আমেজ, সদর দফতরে ভিয়েন বসিয়ে লুচি-মিষ্টির প্রস্তুতি
কলকাতা ও দিল্লি: আজ ৪ মে, পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের বহু প্রতীক্ষিত ফলাফল ঘোষণার দিন। সকাল থেকেই ভোট গণনার প্রাথমিক প্রবণতা আসতে শুরু করেছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফলের অপেক্ষা না করেই আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে বিজেপি শিবির। দিল্লিতে দলের সদর দফতরে সকাল থেকেই উৎসবের মেজাজ। রীতিমতো ভিয়েন বসিয়ে বিশাল কড়াইতে ভাজা হচ্ছে ফুলকো লুচি, সঙ্গে থাকছে জিভে জল আনা হরেক রকমের মিষ্টি।
বাংলার মসনদ দখলে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি
নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে দীর্ঘ টক্কর চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বারবার বঙ্গ সফর এবং বিজেপির ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর পাল্টা প্রতিশ্রুতি ভোটারদের মনে কতটা প্রভাব ফেলেছে, তা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। তবে সকাল সাড়ে ৯টার প্রাথমিক গণনায় পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বিজেপি এগিয়ে থাকতেই জয়ের ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত হয়ে পড়েছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘লুচির মতো ফোলা’র কটাক্ষকে হাতিয়ার করেই যেন আজ সদর দফতরে লুচি-মিষ্টির ভোজের এই এলাহি আয়োজন।
প্রতীকের লড়াই ছাপিয়ে মিষ্টির লড়াই
ভোটের ময়দানের লড়াই এবার সরাসরি ঢুকে পড়েছে মিষ্টির দোকানেও। শুধু দিল্লিতেই নয়, বাংলার জেলাগুলিতেও রাজনৈতিক দলের প্রতীকের আকারে সন্দেশ তৈরির ধুম পড়েছে। তৃণমূলের ‘ঘাসফুল’ আর বিজেপির ‘পদ্মফুল’ আঁকা মিষ্টির চাহিদা এখন আকাশছোঁয়া। সমর্থকরা আগাম জয়ের আশায় কয়েক কিলো করে মিষ্টির অর্ডার দিয়ে রেখেছেন। বাংলার অস্মিতা বনাম উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—তর্কাতর্কির মাঝে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের রায় কোন দিকে যায়, তার ওপরই নির্ভর করছে এই উৎসবের চূড়ান্ত রূপ। তবে আপাতত গেরুয়া শিবিরের এই আগাম উদ্যাপন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা বাংলার শাসন ক্ষমতা পাওয়ার বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত।