নীতিই আসল, ট্রাম্পের প্রশংসাকে ছাড়িয়ে ভারত-মার্কিন বোঝাপড়া!
ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: ব্যক্তির ঊর্ধ্বে জাতীয় নীতি
দিল্লির উপরাজ্যপাল ও অভিজ্ঞ কূটনীতিক তরণজিৎ সিং সান্ধু বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বার্তা ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা উন্মোচন করেছে। তিনি এই বার্তাকে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বরং দুই দেশের শক্তিশালী কাঠামোগত সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সান্ধুর মতে, এই সম্পর্ক কোনো বিশেষ ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না, বরং উভয় দেশের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতেই টিকে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ও বলিষ্ঠ বিদেশ নীতির ফলে ওয়াশিংটনের সাথে দিল্লির সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে সান্ধু উল্লেখ করেন। তার দায়িত্ব পালনকালে এই সম্পর্ক কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপান্তরিত হয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা বৈশ্বিক রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশাপাশি জো বাইডেনও তাঁর কাজের প্রশংসা করেছিলেন, যা প্রমাণ করে যে আমেরিকার হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও ভারতের সাথে তাদের সম্পর্কের মূল ভিত নড়বড়ে হয় না। রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাট—উভয় প্রশাসনের সমর্থন পাওয়ায় দুই দেশের এই মৈত্রী দীর্ঘমেয়াদী এবং টেকসই হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।