তৃণমূলে ঐতিহাসিক ভাঙন! ১৯ সাংসদের চিঠিতে কি কল্যাণ?
লোকসভায় তৃণমূলের অন্দরে বড় ভাঙন: বিদ্রোহী ১৯ সাংসদ, মমতার হাত থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ার জল্পনা
লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ১৯ জন সাংসদের বিদ্রোহী হয়ে ওঠার খবর প্রকাশ্যে আসতেই জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। কাকলি ঘোষদস্তিদারের নেতৃত্বে এই বিদ্রোহী শিবিরে রয়েছেন শতাব্দী রায়, দেব, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, ইউসুফ পাঠান, পার্থ ভৌমিক, শর্মিলা সরকার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, জগদীশ বর্মণ বসনিয়া, অসিত কুমার মাল, অরূপ চক্রবর্তী, খলিলুর রহমান, আবু তাহের খান, মিতালি বাগ, মালা রায় এবং কালীপদ সোরেন। সূত্রের খবর, এই সাংসদেরা আইনিভাবে দলের নিয়ন্ত্রণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এদিকে, শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নেত্রীর উদ্দেশ্যে আলটিমেটাম দিয়েছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল ও অভিষেকের মধ্যে যেকোনো একজনকে বেছে নিতে হবে। রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় খুব দ্রুতই বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেবেন। বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে থাকা অপর সাংসদদের মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিনহা, প্রতিমা মণ্ডল, সাজদা আহমেদ এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কায় তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।