তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে কার হাতে? এনসিপিআই-এর নতুন বস ঘিরে তুঙ্গে নাটক!
তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকটের রেশ এবার দেশের সংসদ এবং দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতায় পৌঁছেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মূল দল থেকে বেরিয়ে বিদ্রোহী সাংসদদের একটি গোষ্ঠী ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়াতে (এনসিপিআই) যোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই ‘সংযুক্তিকরণ’ বৈধ কি না, তা নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সংবিধানে দলত্যাগ বিরোধী আইনের ১০ নম্বর তফশিলের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মূল দলের সম্মতি ছাড়া সংসদ সদস্যদের এমন দলবদল আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
স্পিকারের দপ্তর উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার জন্য তলব করলেও, গত সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাত্র দুই ঘণ্টার নোটিশে তলব করা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ওই সময় তিনি কলকাতায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জেরার মুখে থাকায় সশরীরে হাজির হতে পারেননি। এর বিপরীতে, এনসিপিআই-এর নতুন জাতীয় সভাপতি হিসেবে জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দলের পুরনো নেতাকর্মীরা এই নিয়োগ নিয়ে অন্ধকারে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, তাদের সঙ্গে বর্তমানে ২০ জন সাংসদ রয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ২২ হতে পারে। স্পিকারের অনুমোদন মিললে এটি এনডিএ জোটের অন্যতম বৃহত্তম শরিকে পরিণত হতে পারে।