টাকার টোপ ও এজেন্সির ভয়! ২০ বিদ্রোহী সাংসদকে তাড়াতে স্পিকারের দ্বারস্থ অভিষেক
তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দ্বারস্থ হলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি ২০টি পৃথক ‘ডিসকোয়ালিফিকেশন পিটিশন’ জমা দিয়েছেন। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সাংসদরা ‘ন্যাশনালাইজড সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (NCPI) নামক একটি অচেনা দলে যোগ দিয়ে লোকসভায় পৃথক গোষ্ঠীর স্বীকৃতি চেয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী স্বেচ্ছায় দল ছাড়ার কারণে এদের সদস্যপদ খারিজ হওয়া উচিত এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে আগামী তিন মাসের মধ্যে স্পিকারকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন যে, মহারাষ্ট্রের ঘটনার আদলে ইডি ও সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে এবং আর্থিক প্রলোভন দিয়ে তৃণমূলের সাংসদদের ভাঙানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্য বিধানসভাতেও তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৪ জন দল ছেড়ে নতুন গোষ্ঠী গঠন করেছেন এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মূল তৃণমূল কংগ্রেস কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। সব মিলিয়ে জুলাই মাসের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে এই ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের রাজনৈতিক ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, খুব শীঘ্রই সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও তাদের দলে যোগ দেবেন।