কামদুনি ফাইল খুলতেই কি শেষ জ্যোতিপ্রিয়, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!
তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সরে দাঁড়ানোর পর কামদুনি গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নির্যাতিতার ভাইয়ের অভিযোগ, ২০১৩ সালের সেই নৃশংস ঘটনার সাথে স্থানীয় এক তৃণমূল প্রধানের ভাইপো জড়িত ছিলেন, যিনি প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। নির্যাতিতার ভাই দাবি করেছেন, অপরাধীদের আড়াল করা ও তথ্য-প্রমাণ লোপাটের সাথে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্ত ছিলেন। কামদুনি মামলার ফাইল পুনরায় খোলা হলে প্রাক্তন এই মন্ত্রী ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দল থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, তীব্র ডায়াবেটিস এবং কিডনির গুরুতর সমস্যার কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে শারীরিক ও মানসিক চাপমুক্ত থাকতে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের জুন মাসে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে ২১ বছরের এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর দোষীদের শাস্তির দাবিতে গড়ে ওঠা গণ-আন্দোলন দমানোর পেছনেও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই গুরুতর অভিযোগগুলোর বিষয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।