অধ্যাপকদের ভোটের ডিউটি নিয়ে হাইকোর্টে তুলোধনা, নিয়ম বদলানোয় ক্ষেপে লাল কমিশন!
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। একদল অধ্যাপকের করা মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন শেষ মুহূর্তে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের নিজস্ব গাইডলাইন অনুযায়ী, যথাযথ কারণ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের পোলিং ডিউটিতে পাঠানোর নিয়ম নেই। অথচ হাজার হাজার অধ্যাপককে ডিউটির চিঠি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে বিস্তারিত নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
শুনানি চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা জানান, প্রায় ১,০০০ পোলিং কর্মীর ঘাটতি থাকায় অনিবার্য পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ আদালত। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের আগে কর্মীর অভাব নিয়ে কমিশন কেন পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করেনি। পাশাপাশি, নিয়ম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নথিপত্র না থাকায় আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। এখন আদালতের পরবর্তী নির্দেশের ওপর নির্ভর করছে অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে হবে কি না এবং এই নির্দেশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে বিকল্প পথের সন্ধান করতে হতে পারে।