জন্মদাগের রহস্য: শরীরের চিহ্নই কি জানান দেয় আপনার পূর্বজন্মের ইতিহাস? – বর্তমান নিউজ
মানুষের শরীরের জন্মদাগ বা তিল কেবল শনাক্তকরণের মাধ্যম নয়, জ্যোতিষশাস্ত্র ও সমুদ্রশাস্ত্র অনুযায়ী এগুলি পূর্বজন্মের কর্মফলের সংকেত বহন করে। শাস্ত্র মতে, শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে থাকা এই চিহ্নগুলো একজন ব্যক্তির অতীত জীবনের সাফল্য, ব্যর্থতা এবং স্বভাবের প্রতিফলন ঘটায়। বর্তমান জীবনেও এই দাগগুলো মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলে বলে আধ্যাত্মিক গবেষকদের দাবি।
যাঁদের মুখে জন্মদাগ রয়েছে, তাঁরা পূর্বজন্মে কর্মক্ষেত্রে সফল ও খ্যাতিমান হলেও ব্যক্তিগত জীবনে ক্রোধের কারণে অসুখী ছিলেন। অন্যদিকে, পায়ে দাগ থাকা ব্যক্তিরা গতজন্মে অত্যন্ত ভ্রমণপিপাসু ছিলেন এবং বর্তমানেও তাঁদের মধ্যে ভ্রমণের প্রতি সহজাত টান দেখা যায়। হাতে দাগ থাকা মানেই পূর্বজন্মে কঠোর পরিশ্রমের ইঙ্গিত, যদিও সেই তুলনায় তাঁরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। আবার কাঁধে দাগ থাকা ব্যক্তিরা আজীবন দায়িত্বশীল ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে থাকেন।
সমুদ্রশাস্ত্রে তিল বা জন্মদাগকে শরীরের শক্তির কেন্দ্রবিন্দু এবং ঈশ্বরদত্ত ‘কোড’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ডান হাতের তালু বা কপালে থাকা তিল যেমন অর্থপ্রাপ্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতীক, তেমনই এই চিহ্নগুলো মানুষকে জীবনের পথে সতর্ক থাকতে সাহায্য করে। শাস্ত্রীয় মতে, কোনো দাগই অশুভ নয়; বরং এগুলো আত্মার ফেলে আসা সময়ের এক একটি গুরুত্বপূর্ণ পাণ্ডুলিপি যা বর্তমানকে প্রভাবিত করে।