লাল কিতাবের গণনা: কুষ্টিতে শনির অবস্থানই কি নির্ধারণ করে আপনার গৃহসুখের বয়স? – বর্তমান নিউজ

জ্যোতিষশাস্ত্র ও লাল কিতাব অনুযায়ী, শনিদেবকে কেবল কর্মফলের দাতা নয়, বরং ভবন নির্মাণের প্রধান কারক হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। জাতকের জন্মছকে শনির বিভিন্ন অবস্থানই নির্ধারণ করে যে ঠিক কোন বয়সে তিনি নিজের বাড়ি তৈরি করতে সক্ষম হবেন। বিশেষ করে শনি প্রথম, দ্বিতীয় বা চতুর্থ ঘরে থাকলে গৃহনির্মাণের যোগ প্রবল হয়, তবে পঞ্চম ঘরে শনির উপস্থিতিতে ৪৫ বছরের আগে বাড়ি তৈরি করা সন্তানের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
জন্মছকের ষষ্ঠ ঘরে শনি থাকলে ৪০ বছরের মধ্যে এবং নবম ঘরে থাকলে একাধিক সম্পত্তির মালিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে দশম ঘরে শনির অবস্থান থাকলে ৪৮ বছর বয়সের আগে বাড়ি তৈরি না করার পরামর্শ দেয় লাল কিতাব; একান্তই প্রয়োজন হলে বাড়ির কিছু অংশ আসাম্পূর্ণ রাখা শ্রেয়। অন্যদিকে, একাদশ ও দ্বাদশ ভাবে শনি থাকলে সাধারণত জীবনের পরবর্তী অংশে অর্থাৎ ৫৫ বছরের পর স্থাবর সম্পত্তি ও পারিবারিক সুখের যোগ তৈরি হয়।
ব্যক্তির সৎ কর্ম ও শনিদেবের আশীর্বাদই মূলত সুন্দর ও আরামদায়ক আবাসের স্বপ্ন পূরণ করে। অকারণে অন্যকে কষ্ট দিলে শনির রোষে গৃহসুখ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই লাল কিতাবের বিধান মেনে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে এবং নির্দিষ্ট বয়সের সীমাবদ্ধতা বজায় রাখলে জাতক পৈতৃক সম্পত্তি লাভসহ নিজের উপার্জনেও একাধিক বাড়ির মালিক হতে পারেন। এই প্রাচীন শাস্ত্রীয় প্রতিকারগুলোই সাধারণ মানুষের গৃহ নির্মাণের স্বপ্নকে বাস্তবের দিশা দেখায়।