সোনার দরে বড় পতন: বিনিয়োগের মোক্ষম সময় না কি অপেক্ষা?

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর থেকেই ঝিমিয়ে পড়েছে সোনা ও রুপোর বাজার। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম সর্বোচ্চ ৫,৫৯৫ মার্কিন ডলার থেকে প্রায় ১০ শতাংশের বেশি কমেছে, যেখানে রুপোর দর পড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। ২০২৫ সালের সেই ঊর্ধ্বমুখী দৌড় থমকে যাওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখন সস্তায় ধাতু কেনার তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে।
বাজার বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এই পরিস্থিতিতে হুজুগে বড় বিনিয়োগ না করার পরামর্শ দিচ্ছেন। ডিএসপি মিউচুয়াল ফান্ডের মতে, নতুন করে বড় অংকের টাকা ঢালার পরিবর্তে ছোট ছোট কিস্তিতে বা এসআইপি-র মাধ্যমে বিনিয়োগ শুরু করা নিরাপদ। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলোর সোনা কেনার আগ্রহ গত বছরের তুলনায় ২১ শতাংশ কমে যাওয়া এবং উচ্চ সুদের হার বর্তমান বাজারের এই অস্থিরতার অন্যতম কারণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মুদ্রাস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে মূল্যবান ধাতুর বাজার এখন কিছুটা প্রতিকূল। জেএম ফাইন্যান্সিয়ালের পরামর্শ অনুযায়ী, বাজার আরও সংশোধন হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ধাপে ধাপে এগোলেই ঝুঁকি কমবে। তাই এখনই সবটুকু বিনিয়োগ না করে বাজার স্থিতিশীল হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা অথবা সংশোধনমূলক পতনের প্রতিটি ধাপকে কাজে লাগানোই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।