ভ্যালেন্টাইনস ডের রঙিন উৎসবের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই রক্তাক্ত ইতিহাস যা আপনার অজানা

নিউজ ডেস্ক : ভালোবাসার উৎসবে মাতোয়ারা হওয়ার আগে একবার ভেবে দেখেছেন কি, এই দিনটির নেপথ্যে থাকা আত্মত্যাগের গল্প আমাদের জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করে? রোমান সম্রাট ক্লডিয়াসের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তা কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভালোবাসার জয়গান। আজ যখন আমরা প্রিয়জনকে কার্ড বা উপহার দিই, তখন আসলে সেই প্রাচীন ত্যাগের পরম্পরাকেই বহন করি, যা সমাজকে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়।
২৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে জেলরক্ষকের কন্যার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়ে ভ্যালেন্টাইন প্রমাণ করেছিলেন যে, ঘৃণা নয়, ভালোবাসাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শক্তি। পঞ্চম শতাব্দীতে পোপ গেলাসিয়াস দিনটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে এটি কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি সর্বজনীন মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। তাই আজকের দিনে লাল গোলাপের প্রতিটি পাপড়ি আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই অকুতোভয় মানুষের কথা, যিনি নিজের জীবন দিয়ে ভালোবাসাকে অমর করে দিয়ে গেছেন।