ইউসুফ পাঠানের ২০.৫ কোটির জমি জট, দুর্নীতি নাকি নিছক ভুল বোঝাবুঝি?
বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ও প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে ঘিরে তৈরি হওয়া ২০.৫ কোটি টাকার বিতর্কটি কোনো আর্থিক দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের ঘটনা নয়, বরং এটি গুজরাতের ভাদোদরায় একটি জমি বণ্টন ও দখল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা। ২০১২ সালে ভাদোদরা পুরসভা (ভিএমসি) ইউসুফ পাঠানের বাড়ির পাশের ৯৭৮ বর্গমিটার জমি তাঁকে প্রকাশ্য নিলাম ছাড়াই ৯৯ বছরের লিজে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল, যা ২০১৪ সালে গুজরাত সরকার নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে খারিজ করে দেয়। নিয়ম না থাকা সত্ত্বেও জমিটি এখনো পাঠানের দখলেই রয়েছে, যা বর্তমানে আদালতের বিবেচনায় রয়েছে।
২০.৫ কোটি টাকার যে হিসেব সামনে এসেছে, তা আসলে জমিটির বর্তমান সরকারি বাজারমূল্য। ২০২৬ সালের জুন মাসে ভাদোদরা পুরসভা প্রতি বর্গমিটার ২.১০ লক্ষ টাকা দরে ওই ৯৭৮ বর্গমিটার জমির দাম নির্ধারণ করেছে, যা বর্তমানে নিলামের প্রস্তুতি চলছে। এদিকে, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের পরও জমি দখলের বিষয়ে গুজরাত হাইকোর্ট প্রশ্ন তুললেও, একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে কোনো বিশেষ আইনি সুরক্ষা তিনি পাবেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের পর এই পুরনো ইস্যুটি বর্তমানে শাসক ও বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।