দেরিতে বিয়ে বা ক্যারিয়ারের চিন্তা? মা হওয়ার স্বপ্ন বাঁচাতে ‘এগ ফ্রিজিং’ কতটা সুরক্ষিত!
পেশাগত ও ব্যক্তিগত কারণে বর্তমান সময়ে অনেক নারী দেরিতে সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তবে ৩৫ বছর বয়সের পর নারীদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা বা ফার্টিলিটি ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে, ভবিষ্যতের জন্য মাতৃত্বকে সুরক্ষিত রাখতে ‘এগ ফ্রিজিং’ বা ডিম্বাণু সংরক্ষণ একটি আধুনিক ও কার্যকর সমাধান হিসেবে সামনে এসেছে। দিল্লির বিড়লা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ-এর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডক্টর কণিকা শর্মার মতে, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মহিলারা তাঁদের সুস্থ ডিম্বাণু দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।
এগ ফ্রিজিং প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রথমে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে হরমোনের মাত্রা ও ডিম্বাণুর অবস্থা যাচাই করা হয়। এরপর ১০ থেকে ১২ দিন হরমোন ইনজেকশনের মাধ্যমে ডিম্বাণুকে পরিপক্ক করা হয় এবং অ্যানেশস্থেশিয়ার মাধ্যমে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের একটি প্রক্রিয়ায় তা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তিতে মাইনাস তাপমাত্রায় এই ডিম্বাণুগুলো ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, ৩৫ বছর বয়সের আগেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করা সবচেয়ে উত্তম, কারণ এই সময় ডিম্বাণুর গুণগত মান সর্বোত্তম থাকে। পরবর্তীতে যখনই কোনো নারী মাতৃত্বের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত বোধ করবেন, তখন সংরক্ষিত এই ডিম্বাণুগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।